ফ্যাসিস্ট হেডমাস্টার জামাল হোসেন কর্তৃক হামলা ও মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
বাশঁখালী উপজেলার ছনুয়া কাদেরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় এর প্রধান শিক্ষক জামাল হোসেন এর ছাত্র-ছাত্রী ও বহিরাগত সন্ত্রাসী নিয়ে নির্মিতব্য দোকান ঘর ভাঙচুর ও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি কারার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী আলহাজ্ব নাছির উদ্দিন ও অধ্যাপক নাজেম উদ্দীন।
গত ১৫ই ফেব্রুয়ারি উপজেলার একটা রেস্টুরেন্টে এ সংবাদ সম্মেলন এর আয়োজন করে। লিখিত বক্তব্যে ভুক্তভোগীর ছেলে বলেন, আমার পিতা আলহাজ্ব নাছির উদ্দিন একজন সহজ-সরল সাদাসিধা মানুষ। তিনি দীর্ঘ ৩ যুগের ও বেশি সময়ধরে ছনুয়া বাজারে নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে আসছে। ১৯৯১ সালে প্রলয়ঙ্কারী ঘূর্ণিঝড়ে তার দোকান ঘর ভেঙে যাওয়ার পর ঘোরে দাড়াঁনোর লক্ষ্যে ১৯৯৬ সালে তিনি ছনুয়া কাদেরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ থেকে অন্যান্য সওদাগরদের মতো একটি খালি জায়গা (যা প্রায় বিশ হাত প্রশস্ত খাই ছিল) তা ভাড়া নিয়ে নিজ উদ্যোগে বহু দূর থেকে মাটি এনে ভরাট করে সেমিপাকা দোকান ঘর তৈরি করেন। সেই থেকে শুরু করে নিয়ম মাফিক স্কুলের সাথে ডিড ও ভাড়া প্রদান করে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে।
[caption id="attachment_820" align="alignnone" width="300"] ফ্যাসিস্ট জামাল হোসেন[/caption]
১৯৯৬ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত স্কুলের যাবতীয় ভাড়া থেকে শুরু করে সব রুলস মেনে ব্যবসা করে আসছে। ২০১৮ সালে স্কুল কর্তৃপক্ষ থেকে লিখিত অনুমতি নিয়ে আগের দোকান গুলো ভেগে নতুন দ্বিতল ভবন করার সিদ্ধান্ত নেয়। দোকানের নির্মাণ কাজ শুরু করলে নির্বাচনোত্তর আওয়ামী ফ্যাসিস্ট এর আওয়ামী সন্ত্রাসীরা কাজ করতে দেয়নি ফলে নির্মাণ সামগ্রী লুটপাট ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। এ ধারাবাহিকতা চলে দীর্ঘ ৬ বছর ।
ছনুয়া কাদেরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় এর হেডমাস্টার জামাল হোসেন ফ্যাসিস্ট জিল্লুল করীম শরীফী নামক আওয়ামি সন্ত্রাসীর সময়ে মোটা অঙ্কের ঘোষ দিয়ে নিয়োগ প্রাপ্ত ও তার ডান হাত। ফ্যাসিস্ট এর দোসর জুলুমবাজ অর্থ আত্মসাৎকারী এম জিল্লুল করিম শরীফী এর যাবতীয় অপকর্মের হোতা। তার নির্দেশনায় সহজ সরল নাছির উদ্দিনের সাথে প্রতারণা করে আসছে দীর্ঘ দিন। বিভিন্ন সময় তার কাছথেকে চাদাঁ দাবী, চাদাঁ দিতে রাজি না হলে ডিড বাতিলের হুমকি সহ বিভিন্ন মামলা মোকাবিলায় ফাসাঁনোর চেষ্টা করে।
[caption id="attachment_824" align="alignnone" width="300"] ভাংচুর এ অংশ গ্রহণকারী ফ্যাসিস্ট হেডমাস্টার জামাল হোসেন[/caption]
একই সাথে অনুমতি নেওয়া বদরুজ্জমান প্রকাশ বদ সওদাগরকে দোকান করার সুযোগ করে দেয় এই হেডমাস্টার। তার ছেলে ফ্যাসিস্ট জিল্লুর এর অনুসারী হয়ে ও তাকে মোটা অঙ্কের টাকা ঘোষ দিতে হয়েছে। এত কিছুর পর ও নাছির উদ্দিন প্রতি মাসে ডিডের শর্ত অনুসারে স্কুলের যাবতীয় ভাড়া পরিশোধ করলেও তাকে দোকান নির্মাণ করতে দেয়নি পুরনো দোকান ভেঙে ফেলার কারণে কোন ভাড়া পাচ্ছিলেন না। তিনি বিভিন্ন সময় স্কুলে যোগাযোগ করে ও কোন সমাধান পাচ্ছিলেন না। উল্টো তাকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি এবং তার নামে অপপ্রচার চালিয়ে তার সম্মান ক্ষুণ্ণ করছে।
ফ্যসিস্ট এ হেডমাস্টার একদিকে দোকান করার ডিড করে টাকা হাতিয়ে নেয় অপর দিকে তাদের পোষা পেটুয়া বাহিনী দিয়ে দোকান ঘর তৈরিতে বাধা প্রদান নিতান্তই অমানবিক। একদিকে চাদাঁ দাবী অন্যদিকে রাজাকারের তকমা দিয়ে দোকান ঘর করতে না দেওয়া জামাল হোসেন এখন ভিন্ন স্টাইলে নাছির উদ্দিন কে ফাসাঁনোর চেস্টা চালাচ্ছে।
সর্বশেষ ফ্যাসিস্টদের পতনের পর স্কুল পরিচালিত বাজারের দোকান গুলোর দায়িত্ব নেই জমির দাতা গোষ্ঠী ছনুয়া মনু মিয়াজি জমিদার পরিবার। উনারাই বাজারের সকল ব্যবসায়ীর সাথে চুক্তি নবায়ন করে সেই সাথে নাছির উদ্দিনের সাথেও চুক্তি নবায়ন করে এবং কাজ করার অনুমতি দেই।
কিন্তু এই জামাল হোসেন একজন শিক্ষক হলেও ফ্যাসিস্ট সরকারের প্রেৎআত্মা আওয়ামী আমলের সন্ত্রাসী জিল্লুর মদদে নাছির উদ্দিনকে হয়রানি করার জন্যে মিথ্যা মামলা দায়ের করে। নিরীহ নাছির উদ্দিন মামলার কারণে কাজ করতে না পারলে ও দাতা গোষ্ঠীর আশ্বাসে কাজ করতে রাজমিস্ত্রী দিলে জামাল হোসেন কোমল মতি ছাত্র ছাত্রীদের ব্যবহার করে মানব বন্দন এর নাটক কর। তারা রাজমিস্ত্রী কে কাজে বাধা প্রদান করে। এবং ব্যাপক ভাংচুর করে।
তিনি যে ঘৃণ্য কাজ লিপ্ত হয়েছে তা আদৌ কারো কাম্য নয়। আমরা জামাল হোসেন হেডমাস্টার সহ মিথ্যা মামলার সাক্ষী জিল্লুল করীম শরীফি, জাহেদুল ইসলাম পিতা মৃত মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম, মুহাম্মদ নুরুল আবছার পিতা - রশিদ আহমদ সহ সংশ্লিষ্ট সকলের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি ও পদত্যাগ দাবি করছি এবং উদ্ভুত পরিস্থিতি নিরসনে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
তিনি পুণঃ উল্লেখ করে বলেন, স্কুলের জায়গা আলহাজ্ব নাছির উদ্দিন যবর দখল করে নি বরং জবর দখলের মিথ্যা সংবাদ প্রচার করে স্কুলের নাম ভাঙিয়ে জল ঘোলা করছে এই ফ্যাসিস্ট হেডমাস্টার।
যদি স্কুলের জায়গাটি প্রয়োজন হয় তাহলে ক্ষতি পুরণ প্রদানের মাধ্যমে নিরীহ নাছির উদ্দিন কে হয়রানি থেকে আশু প্রতিকার কামনা করছি। এ ব্যাপারে জামাল হোসেন এর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।